দুই আড়তের ৬ কোটি টাকা নয়ছয়
নির্মাণ হওয়ার কথা ছিল স্বাস্থ্যসম্মত ও উন্নতমানের আধুনিক দুটি মৎস্য আড়ত। এ জন্য ছয় কোটি ৯ লাখ ৭০ হাজার ৭৫৪ টাকা বরাদ্দ ছিল। অভিযোগ উঠেছে, মৎস্য কর্মকর্তার সহায়তায় পুরাতন আড়ত দুটি ঘষেমেজে পুরো টাকা তুলে নিয়েছে ঠিকাদার। এ ছাড়া তিনটি নদী ও খালে অভয়াশ্রম স্থাপন, তিনটি বিল নার্সারি স্থাপন, ১৩টি মাছের খামার প্রদর্শনী স্থাপন এবং অফিস মেরামতের জন্য ব্যয় দেখিয়েও অর্থ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ‘সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ প্রজেক্টের’ আওতায় উপজেলার শাহাপুর ও চুকনগর এলাকায় দুটি স্বাস্...