ছোট্ট শরীরজুড়ে বড় বড় ক্ষত
পিঠে গভীর ক্ষত, পায়ে ধরেছে পচন। মাথায় সেলাইয়ের দাগ। গরম খুন্তি আর ইলেকট্রিক চুলাতে ঝলসে দেওয়া হয়েছে শীর্ণ শরীর। বছরের বেশি সময় ধরে নির্যাতনের শিকার এই শিশু গৃহকর্মী ঠিকমতো নড়াচড়াও করতে পারছে না। বর্তমানে সে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মেয়েটি ভালো খাবে, ভালো থাকবে– এ আশায় খাগড়াছড়ি থেকে ঢাকার একটি বাসায় গৃহকর্মীর কাজে দিয়েছিলেন অসহায় বাবা বেলাল হোসেন। ধারণা করেছিলেন, ছোট্ট মেয়েটিকে কাজ করতে হলেও দুবেলা খেতে তো পারবে! নিরাপদে থাকবে গৃহকর্তার বাসায়। কিন্তু ১১ বছর বয়সী তানিয়ার কপালে জুটেছে দিনের পর দিন নির্মম নির্যাতন। কান্নার শব্দ যাতে বাইরে না যায়, সেজন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাকে বন্দি...