কথা রয়ে যায়
‘মেহতাব আমার দুই বছরের ছোট। এক গাঁয়ে বাড়ি। সে বড় দুঃখী ছিল। জন্মের সময় মা মারা যায়, এরপর বাবা। মামার বাড়িতে মানুষ। বড় মামির ছেলেপুলে ছিল না। মেহতাবকে নিজের ছেলের মতো ভালোবাসতেন। আমাদের বয়সের পার্থক্য থাকলেও পূর্ণহৃদয় বন্ধুত্ব ছিল। যুদ্ধে যাব, মেহতাবকে বলতেই একপায়ে রাজি। দুই বন্ধু বুকে বুক ঠেকিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়েছি। বিভিন্ন সময় আলাদা হয়ে যুদ্ধ করতে হয়েছে। মনে হয়েছে আর বোধ হয় দেখা হবে না। কিন্তু আমাদের দেখা হয়েছে। মনে আছে, শেষবার যখন দেখা হলো, তার কিছুদিন পর একই দিনে আমার বাঁ হাতে আর মেহতাবের বাম কাঁধের নিচে গুলি লাগে। দ্বিতীয় দিন আমি একটু সুস্থ বোধ করলেও মেহতাবের অবস্থা...